কলেজের ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় সানি লিওন!

সানি লিওন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বজ বজ কলেজের স্নাতক (অনার্স) পর্যায়ে ইংরেজি বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এই ফলাফলে মেধা তালিকায় রয়েছে বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনের নাম। তাহলে কি সানি লিওন অনার্স করবেন? 

আসলে বিষয়টি এমন নয়। বিনামূল্যে ভর্তি ফরম বিতরণ করেছে বজ বজ কলেজ। আর এতেই হাজারও সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। জানা গেছে, শুধু ইংরেজিই নয়, একাধিক বিষয়ে এই রকম ভুয়া নাম দিয়ে পূরণ করা হয়েছে ফরম।

এর আগে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কলকাতার আশুতোষ কলেজের ইংরেজির মেধা তালিকায় নাম উঠেছিল সানি লিওনের। যা দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন অনেকেই। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়ও বয়ে যায়। রসিকতা করেন অভিনেত্রী নিজেও। তিনি টুইটে মজা করে লেখেন, ‘কলেজের পরবর্তী সেমিস্টারে তোমাদের সকলের সঙ্গে দেখা হবে কেমন! আশা করি, ক্লাসে সকলেই থাকবে।’

একই ধরনের ঘটনা ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি কলেজে। এবার বজবজ কলেজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ইংরেজর মেধা তালিকাতেও বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনের নাম।

কলেজের মেরিট লিস্টে ১৫১ নম্বর সিরিয়ালে রয়েছে রূপালি পর্দার অভিনেত্রীর নামটি। ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ওই মেধা তালিকায় সানি লিওনের ফরম নম্বর ২০২০৫৬১২৫৩৯। অ্যাকনলেজমেন্ট নম্বর ৬১৩২৭৭২৩।

এ বিষয়ে কলেজের ছাত্রসংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তমাল বন্দোপাধ্যায় জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইটে যার ওপর মেধা তালিকা তৈরির দায়িত্ব দিয়েছিলেন এটি সম্ভবত তারই ভুল। তবে এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে নিহতের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে আটক করা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেন। নিহত জামাল হোসেনের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। সন্তানদের মধ্যে দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন এবং ছেলে বাসায় থাকেন।

ওসি আরও জানান, প্রবাসফেরত জামাল হোসেনকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন স্ত্রী শারমিন আক্তার ডলি, ছেলে তানভীর হাছান ডালিম ও মেয়ে সামিয়া বেগম। পরকীয়ার কারণে পারিবারিক কলহের জেরে জামাল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, দেড় বছর আগে জামাল হোসেন সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসেন। এরপর আর বিদেশে যাননি। বুধবার রক্তাক্ত অবস্থায় জামাল হোসেনকে দ্রুত দাফনের চেষ্টা করে তার স্ত্রী শারমীন আক্তার ও ছেলে-মেয়ে। বিষয়টি সন্দেহ হলে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে থানায় খবর দেয়া হয়। এরপর পুলিশ এসে কাফনের কাপড়ে জড়ানো মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।