ফ্রান্সে মহানবী ( সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

রুহুল আমিন বাবুল, কোম্পানীগঞ্জ(সিলেট) প্রতিনিধিঃ

-ফ্রান্সে মহানবী (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের ঘটনায় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর জোহরের নামাজের পর থানাবাজার মারকাজ মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানাবাজার পয়েন্টে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

কলাবাড়ি মখজনুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি আব্দুল মুছাব্বির এর সভাপতিত্বে এবং জামেয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি হাসান আল হেলাল এবং জমিয়তের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মাওলানা সোহেল আহমদের যৌথ পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জমিয়তের জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান কোম্পানীগঞ্জী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, কোম্পানীগঞ্জ শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ফজল উদ্দিন, জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসার সভাপতি হাজী মোঃ আবুল হোসেন, হাজী মোঃ আব্দুল মন্নান মনাফ, কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবিদুর রহমান।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা জহির উদ্দিন, মাওলানা হোসাইন আহমদ, মাওলানা আব্দুন নুর, হাফেজ মাওলানা ফখর উদ্দিন, হাফেজ মাসুম আহমদ, মুফতি জামাল উদ্দিন, মাওলানা আতিকুর রহমান, মাওলানা আব্দুস শহিদ, মাওলানা ইয়াকুব, মাওলানা আশিক, মাওলানা আইনুদ্দিন, মাওলানা হোসাইন আহমদ, মাওলানা আহমদ ইয়াকুব, মাওলানা ইয়াহহিয়া বিন উসমান, মাওলানা ছালেহ আহমদ, মাওলানা আব্দুশ শুকুর, মাওলানা সোহাইল আহমদ, মাওলানা জুনায়েদ আহমদ, ক্বারী দেলওয়ার হোসাইন, মাওলানা মখলিছ, মাওলানা ফয়জুদ্দীন, মাওলানা মোহাম্মদ আলী, মাওলানা তাজুল ইসলাম, হাফেজ কামরুল হাসান, ডাক্তার হাবিবুর রহমান ও হাজী ফিরোজ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে ফ্রান্স বিশ্ব মুসলিমের কলিজায় আঘাত করেছে। ফ্রান্সে ইসলাম ও মুসলমানদের সঙ্গে যা হচ্ছে তা সারা বিশ্বের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করবে। বিক্ষুব্ধ মুসলমানদের হৃদয়ের ক্ষত মুছতে হলে ফ্রান্স সরকারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। নেতৃবৃন্দ মুসলমানদের প্রতি ফরাসি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানান।