স্হানীয়ের বাদ দিয়ে রোহিঙ্গাদের চাকরির অগ্রাদিকার

হোছাইন মাহমুদ রাহিম
উপকূলীয় প্রতিনিধি

জাতিসংঘ থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য আশা বাজেটে স্থানীয়দের জন্য ৩০% ব্যায় করার কথা।কাজে ৫%ও নাই।
যেকোন চাকরিতে কোটার একটি বিষয় আছে, কক্সবাজার জেলায় কর্মরত সকল এনজিওতে স্থানীয়দের জন্য জেলা প্রশাসক কর্তৃক ৭০% কোটা নির্ধারণ করা আছে।কাজেই ১০%ও নাই।
হ্যা,১০% আছে বলা যেতে পারে কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে, পুরুষের ক্ষেত্রে ২%।
সম্পুর্ণ নিয়ম বহির্ভূত সকল এনজিও রোহিঙ্গাদের চাকুরি দিয়ে গোপনে লুট করে যাচ্ছে।
এনজিওদের জন্য জেলা প্রশাসক কর্তৃক করা আইনে বলা হয়, কোন রোহিঙ্গা চাকরি এবং (এনজিও)তাদের কার্ড ব্যাবহার করতে পারবে না।
কিন্তু এটাই সত্যি যে, ক্যাম্পে গেলে যেটি দেখা যায়; সহস্র রোহিঙ্গা এনজিও কর্মী সক্রিয় ভাবে চাকুরি করছে।
অনেক রোহিঙ্গা কর্মী আছে যারা ৩০ হাজারের অধিক বেতন পায়।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় রোহিঙ্গারা এই মোটা অংকের টাকা ডোনেট করে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী গুলোর বাহু বড় করছে।এর সুবাদে গত কিছুদিন আগেও এসব সন্ত্রাসী বাহিনী স্থানীয়দের জবাই করে হত্যা করেছে।স্হানীয়দের তথ্য অনুযায়ী

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন

আমি একজন স্থানীয় হিসেবে দাবী করছি, এনজিওতে কর্মরত রোহিঙ্গাদের বয়কট করা হোক, এবং স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেয়া হোক।

ছবি, দৈনিক কক্সবাজার ৭১